সামগ্রী স্টোর পার্টনার ডিলার

দোকানে বসেই বাড়তি বিক্রি।
ডেলিভারি করবে সামগ্রী স্টোর।

সামগ্রী স্টোর মোহাম্মদপুরে নির্মাণ সাইটে হার্ডওয়্যার, তার, ফিটিংস আর রং পৌঁছায়। বেশিরভাগ মাল আমরা কিনি টাউন হলের আশেপাশের অনুমোদিত ডিলার আর কোম্পানির আউটলেট থেকে, অর্ডার ধরে। আপনার দোকান পার্টনার হলে সামগ্রী স্টোরের রাইডার কাউন্টার থেকে মাল তুলে নেবে।

সামগ্রী স্টোর কী

  • মিস্ত্রি, ঠিকাদার আর বাড়ির মালিকরা সাইট থেকে অর্ডার দেন; সামগ্রী স্টোর মাল সাইটে পৌঁছায়।
  • সামগ্রী স্টোর এক্সপ্রেস: ছোট মাল বাইকে, কনফার্মের পর 60 মিনিটে। বিক্রি সামগ্রী স্টোরের চালানে; মাল কেনা হয় পার্টনার দোকান থেকে।
  • সামগ্রী স্টোর শিডিউল: সিমেন্ট, রড, টাইলস, বোর্ড, ট্যাংক পিকআপে। বিক্রি ও চালান পার্টনার ডিলারের; সামগ্রী স্টোর অর্ডার আনে আর পিকআপ ঠিক করে।
  • এখন অর্ডার নিচ্ছি, মোহাম্মদপুর টাউন হল থেকে।

ডিলার যা পাবেন

01

বাড়তি বিক্রি, ডেলিভারির কাজ ছাড়া

যেসব সাইট অন্য জায়গা থেকে কিনত, তাদের অর্ডার আসে। সামগ্রী স্টোরের রাইডার কাউন্টার থেকে মাল তুলে নেয়।

02

দ্রুত, কাগজে-কলমে পেমেন্ট

ট্রায়ালে প্রতি পিকআপেই পেমেন্ট। তারপর লিখিত স্টেটমেন্টসহ প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে ব্যাংক ট্রান্সফার।

03

দামের লড়াই নেই

এই পর্বে সামগ্রী স্টোর ব্র্যান্ডের মাল এমআরপি-তে বিক্রি করে, ব্র্যান্ডে ছাড়ের বিজ্ঞাপন দেয় না — আপনার কাউন্টারের দাম কাটা পড়ে না।

04

ভারী মালের অর্ডার আপনার নিজের চালানে

সিমেন্ট, রড, টাইলস, বোর্ড, ট্যাংক: অর্ডার আনে সামগ্রী স্টোর, পিকআপ ঠিক করে সামগ্রী স্টোর, চালান আপনার। কমিশন শুধু সামগ্রী স্টোরের আনা অর্ডারে।

05

এক্সক্লুসিভ নয়, ফি নেই, ন্যূনতম নেই

যার কাছে খুশি বিক্রি করতে থাকুন। থামাতে চাইলে 15 দিনের নোটিশই যথেষ্ট।

06

মাসিক হিসাব

সামগ্রী স্টোর মাসে আপনার কাছ থেকে কী কী কিনল, এক পাতায়।

কীভাবে কাজ করে

  1. 1

    ফোন আর পিক-স্লিপ

    অর্ডার এলে সামগ্রী স্টোর ডেস্ক কোম্পানির নম্বর থেকে ফোন করে, সঙ্গে লেখা পিক-স্লিপ: অর্ডার নম্বর আর আইটেমের তালিকা। খদ্দেরের কোনো তথ্য থাকে না।

  2. 2

    5 মিনিটে কনফার্ম

    মাল আছে কি না আর দাম জানান, তারপর মালটা 30 মিনিট আলাদা করে রাখুন।

  3. 3

    রাইডার কাউন্টারে

    রাইডার পিক-স্লিপের সঙ্গে ব্র্যান্ড, সাইজ আর ব্যাচ মিলিয়ে নেয়, দোকানের মেমো নেয়। টাকা যায় সামগ্রী স্টোর ডেস্ক থেকে: ট্রায়ালে সঙ্গে সঙ্গে, পরে সাপ্তাহিক স্টেটমেন্টে।

  4. 4

    ভারী মাল: চালান আপনার

    শিডিউলের মালে চালান দেন আপনি, আর খদ্দের মালের দাম সরাসরি আপনাকে দেন; সামগ্রী স্টোর অর্ডার আনে আর পিকআপ ঠিক করে দেয়।

শর্তের সারসংক্ষেপ

পুরো চুক্তি 2–3 পাতার, বাংলায়, সঙ্গে এক পাতার দামের তালিকা। সই করার আগে সব পড়ে নেবেন।

দাম

আপনার দিক থেকে
প্রতিটা আইটেমের লিখিত পার্টনার দাম; নিয়মিত অর্ডারের কয়েক সপ্তাহ পর পাইকারি রেট নিয়ে আলোচনা
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
ব্র্যান্ডের মাল এমআরপির বেশি দামে বেচে না, ব্র্যান্ডে ছাড়ের বিজ্ঞাপন দেয় না

কনফার্ম

আপনার দিক থেকে
দোকান খোলা থাকলে 5 মিনিটের মধ্যে মাল আর দাম জানানো; অর্ডার নম্বরের বিপরীতে 30 মিনিট মাল ধরে রাখা
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
ফোন শুধু সামগ্রী স্টোরের 2টি অফিস নম্বর থেকে; সঙ্গে শুধু অর্ডার নম্বর আর আইটেম

পিকআপ

আপনার দিক থেকে
সামগ্রী স্টোরের রাইডারকে আগে সার্ভ করা; কাউন্টারে অপেক্ষা 5 মিনিটের বেশি নয়
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
রাইডার পিক-স্লিপ নিয়ে আসে, সঙ্গে সঙ্গে পেমেন্ট বা সই হয়

পেমেন্ট

আপনার দিক থেকে
পিকআপে ব্যাংক ট্রান্সফার বা বিকাশ/নগদ মার্চেন্টে টাকা নেওয়া; পরে সাপ্তাহিক
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
ট্রায়ালে (প্রথম 4 সপ্তাহ বা 20টি পিকআপ, যেটা পরে শেষ হয়) প্রতি পিকআপে; তারপর বৃহস্পতিবার স্টেটমেন্ট, শনিবার আপনি মিলিয়ে দেন, 2 কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক ট্রান্সফার। আইন অনুযায়ী উৎসে কর (TDS) কাটা হলে সার্টিফিকেট।

ফেরত

আপনার দিক থেকে
ভুল, ভাঙা বা চালু-না-হওয়া মাল 72 ঘণ্টার মধ্যে বদল বা পুরো ক্রেডিট; খদ্দেরের ফেরত দেওয়া না-খোলা মাল 48 ঘণ্টার মধ্যে যে দামে দিয়েছিলেন সেই দামে ফেরত; ওয়ারেন্টি দাবি ব্র্যান্ডের কাছে জমা দেন আপনি
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
ফেরতের মাল সামগ্রী স্টোর নিজে তুলে আনে ও পৌঁছে দেয়; ক্রেডিট পরের স্টেটমেন্টে

দামের তালিকা

আপনার দিক থেকে
দাম বদলালে 7 দিন আগে লিখিতভাবে জানানো (কোম্পানি নিজে দাম বদলালে সার্কুলার দেখিয়ে সেদিন থেকেই); বদলের আগে দেওয়া অর্ডার পুরনো দামে
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
ডেস্ক 24 ঘণ্টার মধ্যে তালিকা হালনাগাদ করে; মাসে একবার দাম মিলিয়ে দেখা হয়

আসল মাল

আপনার দিক থেকে
শুধু ব্র্যান্ডের অনুমোদিত চ্যানেলের মাল; প্রতি পিকআপে দোকানের নাম-তারিখসহ মেমো; ব্যাচ বা সিরিয়ালের ছবি তুলতে দেওয়া
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
নকল প্রমাণিত হলে খদ্দেরকে 2 গুণ টাকা ফেরত, চুক্তি অনুযায়ী যার দায় ডিলারের; সঙ্গে সঙ্গে পার্টনারশিপ বাতিল

তথ্য

আপনার দিক থেকে
সামগ্রী স্টোরের অর্ডারের তথ্য দিয়ে সামগ্রী স্টোরের খদ্দেরের সঙ্গে যোগাযোগ না করা
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
খদ্দেরের নাম, নম্বর বা সাইটের ঠিকানা কোনো ডিলারকে দেওয়া হয় না

ফি ও কমিশন

আপনার দিক থেকে
কোনো ফি, ন্যূনতম কেনা বা এক্সক্লুসিভিটি নেই
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
শিডিউলের অর্ডারে কমিশন নেয় শুধু সামগ্রী স্টোরের আনা অর্ডারে; হার লেখা থাকে চুক্তিতে

মেয়াদ

আপনার দিক থেকে
6 মাস, নিজে থেকে নবায়ন; কারণ ছাড়াই 15 দিনের নোটিশে থামানো যায়
সামগ্রী স্টোরের দিক থেকে
একই নিয়ম সামগ্রী স্টোরের জন্যও

খদ্দেরের তথ্য গোপন থাকে

আপনি পাবেন শুধু অর্ডার নম্বর আর আইটেমের তালিকা; খদ্দেরের নাম-নম্বর-ঠিকানা আমরা কাউকে দিই না।

চুক্তি চলার সময় আপনিও সামগ্রী স্টোরের অর্ডারের তথ্য দিয়ে সামগ্রী স্টোরের খদ্দেরের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন না।

সামগ্রী স্টোর যা করবে না

  • কোনো ডিলারকে খদ্দেরের নাম, ফোন নম্বর বা সাইটের ঠিকানা দেওয়া।
  • ব্র্যান্ডের মাল এমআরপির বেশি দামে বেচা, বা ব্র্যান্ডে ডিলারের চেয়ে কম দামের বিজ্ঞাপন দেওয়া।
  • এক্সক্লুসিভিটি, ন্যূনতম কেনার গ্যারান্টি, সিকিউরিটি চেক, বা AFTL বা Profileo-র নামে কোনো গ্যারান্টি দেওয়া।
  • ডিলারের হয়ে খদ্দেরের কাছ থেকে টাকা নেওয়া — শিডিউলের মালের দাম খদ্দের সরাসরি ডিলারকে দেন।
  • মেমো ছাড়া মাল নেওয়া; খোলা বা ব্র্যান্ডহীন তার, বা ব্র্যান্ডের মতো দেখতে নকল MCB কেনা; সার্টিফিকেট ছাড়া কোনো দোকানকে কোম্পানির ডিলার বলা।
  • দোকানের স্টাফকে নগদ কমিশন দেওয়া, বা ৳1,000-এর বেশি উপহার না জানিয়ে নেওয়া।
  • WhatsApp অটোমেট করা — আমাদের স্টাফ প্রতিটা মেসেজ নিজে লেখেন বা কপি-পেস্ট করেন; কোনো বট বা ব্রডকাস্ট নয়।

প্রশ্নোত্তর

কোন দোকান আবেদন করতে পারে?
মোহাম্মদপুর টাউন হলের আশেপাশের হার্ডওয়্যার, ইলেকট্রিক্যাল, তার, স্যানিটারি, রং, টুলস, টাইলস, সিমেন্ট-রড, বোর্ড বা ট্যাংকের দোকান: কোম্পানি-নিযুক্ত ডিলার, সাব-ডিলার, খুচরা দোকান, কোম্পানির আউটলেট বা ইমপোর্টার/হোলসেলার। এক্সপ্রেসের জন্য টাউন হল থেকে প্রায় 1 কিমির মধ্যের দোকান সবচেয়ে কাজে আসে।
কোম্পানির ডিলার না হলেও চলবে?
আবেদন করতে পারেন। তবে ব্র্যান্ডের মাল আমরা নিই শুধু অনুমোদিত চ্যানেল থেকে — ব্র্যান্ডের সার্টিফিকেট বা সাম্প্রতিক কোম্পানির চালান দেখাতে হয়। সার্টিফিকেট ছাড়া কোনো দোকানকে আমরা "কোম্পানির ডিলার" বলি না।
টাকা কীভাবে, কবে পাব?
ট্রায়ালে (প্রথম 4 সপ্তাহ বা 20টি পিকআপ, যেটা পরে শেষ হয়) প্রতি পিকআপে: প্রথম পছন্দ ব্যাংক ট্রান্সফার, তারপর বিকাশ/নগদ মার্চেন্ট। তারপর সাপ্তাহিক: বৃহস্পতিবার স্টেটমেন্ট, শনিবার আপনি মিলিয়ে দেন, 2 কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক ট্রান্সফার। আইন অনুযায়ী উৎসে কর (TDS) কাটা হলে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
খদ্দেরের নাম-নম্বর পাব?
না। আপনি পাবেন শুধু অর্ডার নম্বর আর আইটেমের তালিকা; খদ্দেরের নাম-নম্বর-ঠিকানা আমরা কাউকে দিই না।
ফি বা এক্সক্লুসিভিটি আছে?
না। কোনো ফি, ন্যূনতম কেনা বা এক্সক্লুসিভিটি নেই। চুক্তি 6 মাসের, নিজে থেকে নবায়ন হয়; যেকোনো পক্ষ কারণ ছাড়াই 15 দিনের নোটিশে থামাতে পারে।
বৃহস্পতিবার দোকান বন্ধ থাকলে?
সমস্যা নেই — ফর্মে জানিয়ে দিন। মোহাম্মদপুরের মার্কেট বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে; সেদিন আমরা খোলা দোকান থেকে সীমিত মাল নিই।
চুক্তি কেমন?
2–3 পাতার বাংলা চুক্তি, সঙ্গে এক পাতার দামের তালিকা। বিরোধ হলে আগে আলোচনা, তারপর মধ্যস্থতা, তারপর ঢাকায় সালিশ (সালিশ আইন 2001)।
আবেদনের পর কী হয়?
আমাদের টিম ফোন করে দোকানে আসার সময় ঠিক করবে। দেখা হলে কাগজপত্র (ট্রেড লাইসেন্স, TIN, BIN, ব্যাংক হিসাব) আর দামের তালিকা নিয়ে কথা হবে; রাজি হলে চুক্তি সই, তারপর কয়েকটা পরীক্ষামূলক অর্ডার।

পার্টনার ডিলার হতে আবেদন করুন

ফর্ম পূরণ করে জমা দিন, 2 মিনিট লাগে। আমাদের টিম ফোন করে দোকানে আসার সময় ঠিক করবে।